Top News

মিলবে ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ! বাংলায় চালু হচ্ছে বিশ্বকর্মা যোজনা, জেনে নিন আবেদন পদ্ধতি ও সুবিধা

 

দেশের কারিগর ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের আর্থিকভাবে শক্তিশালী করতে কেন্দ্র সরকার চালু করেছে PM Vishwakarma Yojana। এই প্রকল্পের মাধ্যমে যোগ্য আবেদনকারীরা কম সুদে সর্বোচ্চ ₹৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ঋণ, প্রশিক্ষণ, আধুনিক টুলকিট এবং বিভিন্ন সরকারি সুবিধা পেতে পারেন। পশ্চিমবঙ্গের বহু কারিগর ও ঐতিহ্যবাহী পেশার সঙ্গে যুক্ত মানুষও এই প্রকল্পের আওতায় আবেদন করতে পারবেন।

অফিসিয়াল পোর্টাল: PM Vishwakarma Portal

কী এই বিশ্বকর্মা যোজনা?

PM Vishwakarma Yojana হল কেন্দ্র সরকারের একটি বিশেষ প্রকল্প, যা ঐতিহ্যবাহী কারিগর ও হস্তশিল্পীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য চালু করা হয়েছে। এই প্রকল্পে শুধু ঋণ নয়, প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল লেনদেনের সুবিধা ও বাজারে পণ্যের প্রচারের সুযোগও দেওয়া হয়।

কত টাকা পর্যন্ত ঋণ পাওয়া যাবে?

এই প্রকল্পে মোট ₹৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জামানতবিহীন ঋণ পাওয়া যায়।

ঋণের ধাপ

  • প্রথম ধাপে: ₹১ লক্ষ টাকা
  • দ্বিতীয় ধাপে: ₹২ লক্ষ টাকা

প্রথম ঋণ সঠিকভাবে পরিশোধ করলে দ্বিতীয় ধাপের ঋণের জন্য আবেদন করা যায়। সুদের হার মাত্র ৫% পর্যন্ত হতে পারে।

কারা আবেদন করতে পারবেন?

নির্দিষ্ট কিছু ঐতিহ্যবাহী পেশার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরাই আবেদন করতে পারবেন। যেমন:

  • কাঠমিস্ত্রি
  • কামার
  • স্বর্ণকার
  • মৃৎশিল্পী
  • দর্জি
  • নাপিত
  • মালাকার
  • জুতো প্রস্তুতকারক
  • রাজমিস্ত্রি
  • ঝুড়ি বা মাদুর প্রস্তুতকারক

মোট ১৮টি পেশাকে এই প্রকল্পের আওতায় রাখা হয়েছে।

কী কী সুবিধা মিলবে?

এই প্রকল্পে শুধু লোন নয়, আরও একাধিক সুবিধা রয়েছে।

প্রধান সুবিধাগুলি

  • ₹৩ লক্ষ পর্যন্ত জামানতবিহীন ঋণ
  • মাত্র ৫% সুদ
  • বিনামূল্যে স্কিল ট্রেনিং
  • ট্রেনিং চলাকালীন দৈনিক ভাতা
  • ₹১৫,০০০ পর্যন্ত টুলকিট সহায়তা
  • ডিজিটাল লেনদেনে ইনসেনটিভ
  • পণ্যের মার্কেটিং ও ব্র্যান্ডিং সহায়তা

কীভাবে আবেদন করবেন?

অনলাইনে আবেদন পদ্ধতি

  1. অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যান
  2. মোবাইল নম্বর দিয়ে লগইন করুন
  3. Aadhaar যাচাই করুন
  4. আবেদন ফর্ম পূরণ করুন
  5. প্রয়োজনীয় তথ্য ও পেশার বিবরণ দিন
  6. আবেদন জমা করুন
  7. যাচাইয়ের পর ট্রেনিং ও ঋণের সুবিধা মিলবে

কী কী ডকুমেন্ট লাগবে?

  • Aadhaar Card
  • মোবাইল নম্বর
  • ব্যাংক অ্যাকাউন্ট
  • পেশার প্রমাণপত্র
  • পাসপোর্ট সাইজ ছবি

কতদিনে টাকা পাওয়া যাবে?

আবেদন যাচাই ও অনুমোদনের পরে ধাপে ধাপে ঋণের টাকা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হয়। স্থানীয় পঞ্চায়েত বা পুরসভার যাচাইয়ের পর চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

অনেকেই এই প্রকল্পকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও কারিগরদের জন্য বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে কম সুদে বড় অঙ্কের ঋণ ও প্রশিক্ষণের সুবিধা পাওয়ায় গ্রামীণ ও ছোট ব্যবসার ক্ষেত্রে এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন